শিরোনাম
প্রচ্ছদ / রাঙ্গামাটি / আসামবস্তী ধর্মচক্র বৌদ্ধবিহারের দ্বিতল ভবনের উদ্বোধন একটি মহল এখন ধর্মীয় বিষয়ে ও বিভেদ শুরু করে দিয়েছে …দীপংকর তালুকদার

আসামবস্তী ধর্মচক্র বৌদ্ধবিহারের দ্বিতল ভবনের উদ্বোধন একটি মহল এখন ধর্মীয় বিষয়ে ও বিভেদ শুরু করে দিয়েছে …দীপংকর তালুকদার

॥ নিজস্ব প্রতিবেদক ॥

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও রাঙ্গামাটি জেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি দীপংকর তালুকদার বলেছেন,পার্বত্য এলাকায় একটি মহল এখন ধর্মীয় বিষয় নিয়ে ও বিভেদ তৈরী করা শুরু করে দিয়েছে। তাদের কারনে আজ সাধারন মানুষ ধর্মীয় কাজ করতে গিয়ে ও বাধার সম্মূখিন হচ্ছে, যা কারো কাম্য নয়। বৌদ্ধধর্ম হচ্ছে শান্তির ধর্ম, যখন দেখি বৌদ্ধধর্মীয় সম্প্রদায়ের মানুষ নিজ ধর্মীয় কার্যক্রম পরিচালনায় তাদের নিজেদের স্বার্থ চরিতার্থ করতে নোংরামি শুরু করে তখন অত্যন্ত ব্যতিথ হই।

শুক্রবার রাঙ্গামাটির আসামবস্তী ধর্মচক্র বৌদ্ধবিহারের নতুন দ্বিতল ভবনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের ধর্মীয় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাবেক প্রতিমন্ত্রী দীপংকর তালুকদার এসব কথা বলেন।

ধর্মচক্র বৌদ্ধবিহার পরিচালনা কমিটির সদস্য সুয়েক্যউ মারমার সঞ্চালনায় ও বিহার পরিচালনা কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মিন্টু মারমার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ধর্মীয় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন রাঙ্গামাটি পৌরসভার মেয়র মোঃ আকবর হোসনে চৌধূরী, জেলা পরিষদের সদস্য অমিত চাকমা রাজু, ধর্মচক্র বৌদ্ধবিহার পরিচালনা কমিটির সাধারন সম্পাদক নুইলাপ্রু মারমা প্রমুখ।

ধর্মীয়সভায় দীপংকর তালুকদার আরো বলেন, বিলাইছড়ির বৌদ্ধধর্মীয় গুরু ড. এফ দীপংকর মহাস্থবিরকে নিয়ে একটি মহলের যে নোংরামি তা সাধারন মানুষকে অত্যন্ত ব্যতিথ করেছে। সাধারন মানুষের অত্যন্ত প্রিয় এই বৌদ্ধধর্মীয় গুরুকে সেখান থেকে চলে যেতে বলা হয়েছে এবং এই মহল বিশেষের নোংরামির কারনে গত ১৭ মার্চ বৌদ্ধধর্মীয় গুরু ড. এফ দীপংকর মহাস্থবির সেখান থেকে অন্য স্থানে চলে গেছেন। বিলাইছড়ি থেকে এই পরম পূজ্য ভান্তের চলে যাওয়াটা সাধারন মানুষ মেনে নিতে পারছেনা। তিনি বলেন, এখন ধর্মীয় কাজেও মহলটি বিভেদ সৃষ্টি করছে, এই বিভেদ তৈরী কারো জন্য মঙ্গল নয় উল্লেখ করে সাবেক প্রতিমন্ত্রী দীপংকর তালুকদার বলেন, সকল ধর্মেই শান্তির কথা বলা আছে, কিন্তু অনেকেই তা মানছেন না। একটি মহলের নেতৃত্বে প্রতিনিয়ত পার্বত্য এলাকায় অশান্তির কাজ চালানো হচ্ছে। বৌদ্ধের শান্তির বাণীকে যারা অসম্মান করছে তাদের বিষয়ে সজাগ থাকার জন্য তিনি সকলকে আহবান জানান। আলোচনাসভার পূর্বে ধর্মচক্র বৌদ্ধবিহারে বৌদ্ধধর্মীয় রীতি অনুযায়ী ধর্মীয় কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। ধর্মীয় অনুষ্ঠান উপলক্ষে বিহারে বিভিন্ন দুরদুরান্ত থেকে শত শত পূর্ণার্থী এসে ধর্মীয়সভায় অংশ নেয়।

পড়ে দেখুন

তৃণমূল সাংবাদিকতায় অবদানের জন্য বসুন্ধরা মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড পেলেন এ কে এম মকছুদ আহমেদ

॥ ডেস্ক রিপোর্ট ॥ সমাজের সুষ্ঠু বিকাশে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার গুরুত্ব তুলে ধরে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী …