শিরোনাম
প্রচ্ছদ / রাঙ্গামাটি / কি হলো রাঙ্গামাটি বিদ্যুৎ বিভাগের ? বৃষ্টি নেই বাতাস নেই তবুও ঘন ঘন বিদ্যুতের লোডশেডিং রাঙ্গামাটিবাসীর নাভিশ্বাস

কি হলো রাঙ্গামাটি বিদ্যুৎ বিভাগের ? বৃষ্টি নেই বাতাস নেই তবুও ঘন ঘন বিদ্যুতের লোডশেডিং রাঙ্গামাটিবাসীর নাভিশ্বাস

কি হলো রাঙ্গামাটি বিদ্যুৎ বিভাগের ?
বৃষ্টি নেই বাতাস নেই তবুও ঘন ঘন বিদ্যুতের
লোডশেডিং রাঙ্গামাটিবাসীর নাভিশ্বাস
॥ নিজস্ব প্রতিবেদক ॥
কি হলো রাঙ্গামাটি বিদ্যুৎ বিভাগের। কোন বৃষ্টি নেই বাতাস নেই তবুও ঘন ঘন বিদ্যুতের লোডশেডিং রাঙ্গামাটিবাসীর নাভিশ্বাস উঠেছে। চৈত্র মাসের প্রচন্ড তাপদাহ মানুষ যখন নাজেহাল ঠিক তখনই রাঙ্গামাটি বিদ্যুৎ বিভাগের এই ধরনের ভিমরতি শহরবাসীকে মারাত্মক কষ্টে ফেলে দিয়েছে। কাকে দোষ দেয়া হবে এই অবস্থার জন্য। তাহলে দোষটা কি রাঙ্গামাটি জেলাবাসীর। রাঙ্গামাটি জেলাবাসী কার কাছে এর প্রতিকার চাইবে এই নিয়ে হতাশায় ভুগছে।
গত কয়েকদিন ধরে রাঙ্গামাটি শহরের বিদ্যুতের লোডশেডিং এর কারণে সাধারণ মানুষ যখন নাভিশ্বাস উঠেছে তখনও বিদ্যুৎ বিভাগের কেউ এ নিয়ে মাথা ঘামাচ্ছে না। কেন হচ্ছে এই সমস্যা এইটা নিয়েও বিদ্যুৎ বিভাগের কোন মাথা ব্যথা নেই। গত ৭ এপ্রিল মধ্য রাত থেকে রাঙ্গামাটি শহরে বিদ্যুৎতের লোডশেডিং ঘুমন্ত মানুষকে বাইরে বের করে দিয়েছে। প্রচন্ড গরমের কারণে সাধারণ মানুষ বিছনা ছেড়ে রাস্তায় পায়চারী করতে দেখা গেছে। সেই বিদ্যুৎ আসে গতকাল ভোর ৬ টা নাগাদ।
রাঙ্গামাটি বিদ্যুতের গ্রাহকরা জানান, রাঙ্গামাটি বিদ্যুৎ বিতারণ বিভাগের এই ধরনের আচরণে আমরা অনেক ক্ষতিগ্রস্থ। বার বার ট্রিপ হওয়ার কারণে আমাদের অনেক ইলেকট্রনিক্স যন্ত্রপাতি নষ্ট হয়ে গেছে। তারা বলেন, সন্ধ্যা হতে না হতেই বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে। বর্তমানে এইচ,এস,সি পরীক্ষার্থীরা খুবই কষ্টের মাঝে তাদের লেখাপড়া চালিয়ে যেতে হচ্ছে।
এদিকে ব্যবসায়ীরা জানান, রাঙ্গামাটিতে বৈসাবী উৎসবের মার্কেট চলছে। কিন্তু বিদ্যুতের এই ধরনের লোডশেডিং এর কারণে আমরা ব্যবসা ঠিক মতো করতে পারছি না। সেই কারণে কাষ্টমারাও দোকানে বেশীক্ষণ থাকতে চায় না। তারা বিদ্যুৎ বিভাগের কাছে এই ধরনের হয়রানী বন্ধের দাবী জানান।
বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড রাঙ্গামাটির নির্বাহী প্রকৌশলী চিংহ্লা মং মারমা জানান, গত রাতে কোন ঝড় নেই বাতাস নেই তার পরও বড়ইছড়ি এলাকায় লাইনের উপরে একটি ঢাল পড়ে লাইন ট্রিপ করে গেছে। তার পর আমার রাত ৪ টার দিকে লাইনে চেক করতে করতে গিয়ে ফল্ট খুজে পেয়ে লাইন চালু করে দিতে সক্ষম হই। এতে আমাদের কোন হাত ছিলো না। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমাদের রাঙ্গামাটি চাহিদা এখন অনেক বেশী। ১০ মেগাওয়ার্টের উপরে আমাদের বিদ্যুৎ লাগে। কাপ্তাই থেকে আসা লাইনটি খুই পুরনো হয়ে যাওয়ায় ১০ মেগাওয়াটের উপরে লোড নিতে পারছে না। সেই কারনে বার বার ট্রিপ করছে। তারপরও আমরা চেষ্টা করছি মানুষকে সেবা দিতে।

পড়ে দেখুন

রাঙ্গামাটিতে কর্মরত সাংবাদিকদের নিয়ে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের প্রশিক্ষণ কর্মশালা : সারা দেশের সাংবাদিকদের জন্য একটা ডাটাবেজ তৈরি হচ্ছে–প্রেস কাউন্সিল চেয়ারম্যান

॥ নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ সারা দেশের সাংবাদিকদের জন্য একটা ডাটাবেজ তৈরি হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন …