শিরোনাম
প্রচ্ছদ / চট্টগ্রাম / মা-মেয়ে গণধর্ষণ, চারজনের যাবজ্জীবন

মা-মেয়ে গণধর্ষণ, চারজনের যাবজ্জীবন

মা-মেয়েকে গণধর্ষণের অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড দিয়েছেন চট্টগ্রামের একটি আদালত।
বৃহস্পতিবার (০৯ জুন) চট্টগ্রামের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মো. রফিকুল ইসলাম এ রায় দিয়েছেন।
দণ্ডিত আসামিরা হল, চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার কেওচিয়া গ্রামের কোরবান আলী, রিদওয়ান রহমান, আব্দুর রহিম ও রুবেল চৌধুরী।
একই মামলায় মাকসুদ হাসান নামে আরও একজন আসামি থাকলেও তার বিরুদ্ধে গঠন করা অভিযোগ বিচারের জন্য শিশু আদালতে পাঠিয়েছে ট্রাইব্যুনাল। আদালতের রেকর্ডে তার বয়স ১৬ হিসেবে উল্লেখ আছে।
মামলার রাষ্ট্রপক্ষের কৌসুলি অ্যাডভোকেট জেসমিন আক্তার বাংলানিউজকে বলেন, দণ্ডিত চারজনসহ মোট পাঁচজন মিলে মা ও মেয়েকে গণধর্ষণ করেছিল। ওই মামলায় চারজনের বিচার হয়েছে। একজন আসামি অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় তার বিচার শিশু আদালতে ন্যাস্ত করেছেন বিচারক। মামলায় চারজনের সাজা হয়েছে।
সাতকানিয়া উপজেলার কেওচিয়া গ্রামে ২০১৪ সালের ১৪ জুন গণধর্ষণের ঘটনাটি ঘটে।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, গভীর রাত সাড়ে ১২টার দিকে কেওচিয়া গ্রামের পাঁচজন বখাটে এক মহিলার ঘরে ঢুকে তাকে ও তার সৎ মেয়েকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় ওই মহিলা বাদি হয়ে ২০১৪ সালের ১৫ জুন সাতকানিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
ওই মামলা তদন্ত শেষে ২০১৪ সালের ১২ ডিসেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। এতে পাঁচজনকে আসামি করা হয়।
২০১৫ সালের ৯ এপ্রিল আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে চারজনের বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। অপর আসামির বিচার শিশু আদালতে স্থানান্তরের আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল।
মামলায় মোট ১২ জন সাক্ষীর মধ্যে সাতজনের সাক্ষ্য নেয়া হয়।
দণ্ডিত কোরবান আলী ও আব্দুর রহিম বর্তমানে হাজতে আছে। বাকি দুজন পলাতক আছেন।

পড়ে দেখুন

সীতাকুণ্ডে বিএম কনটেইনার ডিপো পরিদর্শনে বন্দর চেয়ারম্যান

চট্টগ্রাম ব্যুরো :: সীতাকুণ্ডের শীতলপুর এলাকায় বেসরকারি বিএম কনটেইনার ডিপোতে বিস্ফোরণস্থল পরিদর্শন করেছেন বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার …