শিরোনাম
প্রচ্ছদ / ব্রেকিং নিউজ / রাঙ্গামাটিতে ২ কোটি ৫৬ লাখ টাকা ব্যায়ে নতুন পানি শোধনাগার উদ্বোধন

রাঙ্গামাটিতে ২ কোটি ৫৬ লাখ টাকা ব্যায়ে নতুন পানি শোধনাগার উদ্বোধন

॥ ফাতেমা জান্নাত মুমু ॥ পার্বত্য মন্ত্রণালয় অর্থায়নে রাঙ্গামাটিতে নতুন পানি শোধনাগার চালু করা হয়েছে। রবিবার দুপুরে শহরের তবলছড়ি এলাকায় পানি শোধনাগার উদ্বোধন করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ও পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান নব বিক্রম কিশোর ত্রিপুরা।
রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সহায়তায় ও রাঙ্গামাটি জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী অধিদপ্তরের ব্যবস্থাপনায় প্রায় ২ কোটি ৫৬ লাখ টাকা ব্যায়ে পানি শোধনাগার নির্মান করা হয়।
এসময় রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বৃষ কেতু চাকমা, জেলা প্রশাসক শামসুল আরেফিন, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান তরুন কান্তি ঘোষ, রাঙ্গামাটি জেলা পুলিশ সুপার সাঈদ তারিকুল হাসান, জেলা পরিষদের মুখ্য নিবার্হী কর্মকর্তা এস এম জাকির হোসেন চৌধুরী, জেলা পরিষদের নিবার্হী কর্মকর্তা মোঃ ছাদেকসহ জেলা পরিষদ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের মুখ্য নিবার্হী কর্মকর্তা এস এম জাকির হোসেন চৌধুরী জানান, শহরের পানি বঞ্চিত মানুষের কথা চিন্তা করে নতুন পানি শোধনাগার চালু করা হয়েছে। এতে করে মানুষের প্রয়োজনীয় পানির চাহিদা মিটবে। বর্তমানে রাঙ্গামাটি শহরে পানির চাহিদা রয়েছে ১১ হাজার ২০০ ঘন মিটার। তাই পার্বত্য মন্ত্রণালয় অর্থায়নে ও রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সহায়তায় এছাড়া নতুন আরো ৩টি পানি শোধনাগার পাইপ লাইন স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে।  এতে করে রাঙ্গামাটি শহরে মানুষের পানির দুর্ভোগ কমবে।
রাঙ্গামাটি জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জহির উদ্দিন দেওয়ান জানান, নব নির্মিত এ পানি শোধনাগারের মাধ্যমে দৈনিক দুই লাখ গ্যালেন পানি সরবরাহ করা হবে। এতে শহরের প্রায় ২ লক্ষ মানুষ এই পানির আওতায় আসবে। শহরের তবলছড়ি এলাকায় জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী অধিদপ্তরের নিজস্ব জায়গাই এ শোধনাগার স্থাপন করা হয়েছে। প্রতিদিন এক বার করে শহরের পানি সরবরাহ দেওয়া হবে।
জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী অধিদপ্তরের তথ্য সূত্রে জানা গেছে, রাঙ্গামাটি শহরে প্রায় ১৮হাজার ৭২৬টি পরিবারকে পানি সরবরাহ করে আসছে রাঙ্গামাটি জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী অধিদপ্তর। ছাড়া রাঙ্গামাটির কালিন্দীপুর-২টি, তবলছড়ি নব নির্মিতসহ ২টি শোধনাগার ও ৫টি বুষ্টার পাম্প হাইজ রয়েছে। যার দৈনিক পানি শোধনের পরিমান প্রায় ৭হাজার ২০০ ঘন মিটার।রাঙ্গামাটিতে ২ কোটি ৫৬ লাখ টাকা ব্যায়ে নতুন পানি শোধনাগার উদ্বোধন
॥ ফাতেমা জান্নাত মুমু ॥
পার্বত্য মন্ত্রণালয় অর্থায়নে রাঙ্গামাটিতে নতুন পানি শোধনাগার চালু করা হয়েছে। রবিবার দুপুরে শহরের তবলছড়ি এলাকায় পানি শোধনাগার উদ্বোধন করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ও পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান নব বিক্রম কিশোর ত্রিপুরা।
রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সহায়তায় ও রাঙ্গামাটি জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী অধিদপ্তরের ব্যবস্থাপনায় প্রায় ২ কোটি ৫৬ লাখ টাকা ব্যায়ে পানি শোধনাগার নির্মান করা হয়।
এসময় রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বৃষ কেতু চাকমা, জেলা প্রশাসক শামসুল আরেফিন, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান তরুন কান্তি ঘোষ, রাঙ্গামাটি জেলা পুলিশ সুপার সাঈদ তারিকুল হাসান, জেলা পরিষদের মুখ্য নিবার্হী কর্মকর্তা এস এম জাকির হোসেন চৌধুরী, জেলা পরিষদের নিবার্হী কর্মকর্তা মোঃ ছাদেকসহ জেলা পরিষদ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের মুখ্য নিবার্হী কর্মকর্তা এস এম জাকির হোসেন চৌধুরী জানান, শহরের পানি বঞ্চিত মানুষের কথা চিন্তা করে নতুন পানি শোধনাগার চালু করা হয়েছে। এতে করে মানুষের প্রয়োজনীয় পানির চাহিদা মিটবে। বর্তমানে রাঙ্গামাটি শহরে পানির চাহিদা রয়েছে ১১ হাজার ২০০ ঘন মিটার। তাই পার্বত্য মন্ত্রণালয় অর্থায়নে ও রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সহায়তায় এছাড়া নতুন আরো ৩টি পানি শোধনাগার পাইপ লাইন স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে।  এতে করে রাঙ্গামাটি শহরে মানুষের পানির দুর্ভোগ কমবে।
রাঙ্গামাটি জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জহির উদ্দিন দেওয়ান জানান, নব নির্মিত এ পানি শোধনাগারের মাধ্যমে দৈনিক দুই লাখ গ্যালেন পানি সরবরাহ করা হবে। এতে শহরের প্রায় ২ লক্ষ মানুষ এই পানির আওতায় আসবে। শহরের তবলছড়ি এলাকায় জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী অধিদপ্তরের নিজস্ব জায়গাই এ শোধনাগার স্থাপন করা হয়েছে। প্রতিদিন এক বার করে শহরের পানি সরবরাহ দেওয়া হবে।
জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী অধিদপ্তরের তথ্য সূত্রে জানা গেছে, রাঙ্গামাটি শহরে প্রায় ১৮হাজার ৭২৬টি পরিবারকে পানি সরবরাহ করে আসছে রাঙ্গামাটি জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী অধিদপ্তর। ছাড়া রাঙ্গামাটির কালিন্দীপুর-২টি, তবলছড়ি নব নির্মিতসহ ২টি শোধনাগার ও ৫টি বুষ্টার পাম্প হাইজ রয়েছে। যার দৈনিক পানি শোধনের পরিমান প্রায় ৭হাজার ২০০ ঘন মিটার।

পড়ে দেখুন

“চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিবেশ রক্ষা” পরিষদের নিয়মিত মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

“চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিবেশ রক্ষা” পরিষদের নিয়মিত মাসিক সভায় সম্মানিত সভাপতি আলহাজ¦ আবুল কালাম আজাদ এর …