শিরোনাম
প্রচ্ছদ / ব্রেকিং নিউজ / রাঙ্গামাটি জেলা মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ সমিতির ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন

রাঙ্গামাটি জেলা মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ সমিতির ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন

রাঙ্গামাটি জেলা মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ সমিতির ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন

মুক্তিযোদ্ধাদের দ্বিধাবিভক্তির কারণে মুক্তিযোদ্ধা বিরোধী শক্তিরা নিজেদের সংগঠিত করছে বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য দীপংকর তালুকদার। তিনি বলেন, মুক্তিযোদ্ধারা যদি নিজেদের মাঝে সংগঠিত থাকতো তাহলে মুক্তিযোদ্ধা বিরোধী শক্তিরা কখনোই স্বাধীন এই বাংলার মাটিতে মাথা চাড়া দিয়ে উঠতে পারতো না। তিনি বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের আশ্রয় প্রশ্রয়স্থল বিএনপি জামায়াত দেশকে এখনো একটি অস্থিতিশীল রাষ্ট্রে পরিণত করতে উঠে পড়ে লেগেছে। এই স্বাধীনতা বিরোধীদের হাত থেকে দেশকে রক্ষা করতে দেশের সূর্য্য সন্তানদের সকল দ্বন্ধ ভুলে স্বাধীনতার স্বপক্ষে এসে কাজ করার আহবান জানান।
গতকাল রাঙ্গামাটি জেলা মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ সমিতির ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাবেক পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য দীপংকর তালুকদার এ কথা বলেন।
রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে রাঙ্গামাটি জেলা মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ সমিতির সভাপতি হাজী মোঃ কামাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বৃষ কেতু চাকমা। মুক্তিযোদ্ধা মোঃ বেলায়েত হোসনে বেলাল, রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদ সদস্য অমিত চাকমা রাজু। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন রাঙ্গামাটি জেলা মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইকবাল হোসেন চৌধুরী।
দীপংকর তালকুদার আরো বলেন, মুক্তিযোদ্ধারা কেন দ্বিধা বিভক্ত হবে। মুক্তিযোদ্ধারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা এনে দিয়েছিলো। প্রতিটি মুক্তিযোদ্ধা বাংলাদেশের দাবীদার। তিনি বলেন, মুক্তিযোদ্ধারা কোন অঞ্চলের সেটি বড়ো কথা নয়। মুক্তিযোদ্ধা তার বড়ো পরিচয় হচ্ছে তিনি এই দেশের স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ করেছে। এই দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের জন্য তাদের রক্ত ঘাম ছড়িয়েছে। তাই তিনি যে অঞ্চলের হোকনা কেন তিনি এই বাংলাদেশের একজন সূর্য্য সন্তান। তিনি তাদেরকে দ্বিধা বিভক্ত না হয়ে স্বাধীন এই বাংলাদেশের জন্য কাজ করার আহবান জানান।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকার মুক্তিযোদ্ধার স্বপক্ষের সরকার। মুক্তিযোদ্ধাদের কন্যাণে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা অনেক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। মুক্তিযোদ্ধারা যাতে তাদের যোগ্য সম্মান পায় তার জন্য তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা সহ বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধি করেছে। মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তান সন্ততিদের চাকুরী সহ বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা দিয়ে তিনি তাদের স্বাবলম্বী করে দিয়েছে। তাতেই বোঝা যায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মুক্তিযোদ্ধদের জন্য কতটুকু আন্তরিক।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বৃষ কেতু চাকমা বলেন, মুক্তিযোদ্ধারা আমাদের দেশের স্বাধীনতা এনে দিয়েছিলো বলেই আমরা আজ একটি স্বাধীন দেশের নাগরিক হিসাবে নিজেকে দাবী করতে পারি। তিনি বলেন, মুক্তিযোদ্ধারা যাতে কোন ভাবেই ছোট না হয় তার জন্য আমাদের সকলকে সজাগ দৃষ্টি রাখা উচিত। তিনি বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের মুক্তিযোদ্ধারা যাতে নিজেদের স্বাবলম্বী করে তুলতে পারে তার জন্য পার্বত্য জেলা পরিষদ কাজ করে যাচ্ছে। বিভিন্ন চাকুরী সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রাধান্য দিয়ে তাদের সন্তান সন্ততিদের নিয়োগ প্রদান করা হচ্ছে। তিনি রাঙ্গামাটি জেলা মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ সমিতির উন্নয়নে ১ লক্ষ টাকা অনুদান ঘোষণা করেন।
সভায় সভাপতি পদে হাজী মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক পদে মোঃ ইকবাল হোসেন চৌধুরীকে মনোনীত করে ৯ সদস্যের কমিটি ঘোষণা করা হয়।

পড়ে দেখুন

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

॥ ডেস্ক রিপোর্ট ॥ অমর একুশে ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ঐতিহাসিক ভাষা আন্দোলনের শহীদদের …