শিরোনাম
প্রচ্ছদ / চট্টগ্রাম / একুশ মানে সকল অসত্য ও সংকীর্ণতার বিরুদ্ধে শুভবোধের অঙ্গীকার

একুশ মানে সকল অসত্য ও সংকীর্ণতার বিরুদ্ধে শুভবোধের অঙ্গীকার

বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রথম প্রতিবাদকারী শহীদ মৌলভী সৈয়দ স্মৃতি সংসদের উদ্যোগে গত ১৯ ফেব্র“য়ারি সংগঠনের অস্থায়ী কার্যালয়ে মহান আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের সভাপতি আকরাম হোসেন সবুজ’র সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক, মহানগর যুবলীগ নেতা সাখাওয়াত হোসেন স্বপনের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির প্রেসিডিয়াম সদস্য আলহাজ্ব সৈয়দ মাহমুদুল হক।
প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন, ভাষা শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস মহান একুশে ফেব্র“য়ারি। ১৯৫২ সালের এই দিনে ‘বাংলা’ কে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের ছাত্র ও যুবসমাজসহ সর্বস্তরের মানুষ শাসক গোষ্ঠীর চোখ-রাঙ্গানি ও প্রশাসনের ১৪৪ ধারা উপেক্ষা করে স্বত্ব:স্ফূর্তভাবে রাজপথে নেমে আসে। মায়ের ভাষা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে দূর্বার গতি পাকিস্তানি শাসকদের শংকিত করে তোলায় সেইদিন ছাত্র-জনতার মিছিলে পুলিশ গুলি চালালে সালাম, জব্বার, রফিক, বকরত শহীদ হন। ভাষা শহীদদের রক্তের বিনিময়ে বাঙালি জাতি সেদিন মায়ের ভাষার মর্যাদা অর্জনের পাশাপাশি রাজনৈতিক ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের ক্ষেত্রেও পাই নবপ্রেরণা। এরই পথ বেয়ে শুরু হয় বাঙালির স্বাধীকার আন্দোলন এবং ৭১এর মহান মুক্তিযুদ্ধ। পরবর্তী ৯ মাস পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে সশস্ত্র যুদ্ধের মধ্যদিয়ে বিশ্বের মানচিত্রে সংযোজিত হয় নতুন একটি স্বাধীন, সার্বভৌম দেশ বাংলাদেশ। ১৯৫২’র পথ ধরে ১৯৫৪’র যুক্ত ফ্রন্ট নির্বাচন, ১৯৬৬ সালে ৬ দফা আন্দোলন, ১৯৬৯ এর গণঅভ্যূত্থান, ১৯৭০ এর নির্বাচন এবং ১৯৭১এ ৯ মাসব্যাপি রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের পর বাঙালি অর্জন করে মহান স্বাধীনতা। বাংলা ভাষা পায় রাষ্ট্রীয় মর্যাদা। ১৯৭২ সালে প্রণীত ও গৃহীত বাংলাদেশের সংবিধানে ৩ অনুচ্ছেদে লেখা হয় রাষ্ট্রভাষা প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা।
জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সাংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা (ইউনেস্কো) ১৯৯৯ সালে মহান ২১ প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি দেওয়ার পর আন্তর্জাতিক পর্যায়েও এ দিবসটি পালিত হচ্ছে।
এতে আরো বক্তব্য রাখেন, সংগঠনের সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য মো. ইলিয়াছ, মীর আবদুর রহমান মামুন, মঈনুল ইসলাম রাজু, নাজমুল হোসেন সাইফুল, লায়ন এস.এম সালাহ্উদ্দিন সামির, নাঈম উদ্দিন খান, রফিকুল ইসলাম, মো. আসলাম, মো. সাদেক, রেজাউল করিম রিটন, সাইফুল করিম, মো. রোকন, মো. আনিস, মো. আবছার, সাজ্জাদ আলী জুয়েলসহ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

পড়ে দেখুন

“চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিবেশ রক্ষা” পরিষদের নিয়মিত মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

“চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিবেশ রক্ষা” পরিষদের নিয়মিত মাসিক সভায় সম্মানিত সভাপতি আলহাজ¦ আবুল কালাম আজাদ এর …