শিরোনাম
প্রচ্ছদ / ব্রেকিং নিউজ / দেশে জঙ্গীবাদের সৃষ্টি সমাধানে প্রয়োজন সচেতনতা–এরশাদ

দেশে জঙ্গীবাদের সৃষ্টি সমাধানে প্রয়োজন সচেতনতা–এরশাদ

জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান, সাবেক রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত আলহাজ্ব হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ এম.পি বলেছেন, জাতীয় পার্টির শাসনামলে দেশে সন্ত্রাস, জঙ্গীবাদ ছিলো না। দেশের মানুষ শান্তিতে ছিলো। দেশে ছিলো উন্নয়ন অগ্রগতির সোনালী সময়। তিনি বলেন, আমার সময় সরকারী বেসরকারী উদ্যোগে মিলকারখানা চালু করে ও গার্মেন্টস শিল্প প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ বেকার মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দেশকে স্থিতিশীল করেছিলাম। তাই সে সময় দেশে কোনো প্রকার নাশকতা ও জঙ্গীবাদ ছিলো না। পরবর্তী সরকারের ব্যর্থতায় ধীরে ধীরে দেশে সন্ত্রাস মাথা ছাড়া দিতে শুরু করে তা আজ জঙ্গীবাদে রূপ নিয়েছে উল্লেখ করে তিনি দ্রুত কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে সরকারের প্রতি জোরদাবী জানান। এসময় তিনি বলেন, দেশকে অর্থনীতিতে এগিয়ে নিতে প্রয়োজন রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা। জনগণের প্রতি ভালবাসা যা অন্যদের নেই। দেশে আইনের শাসন, জবাবদিহিতা ফিরিয়ে আনতে পারে একমাত্র জাতীয় পার্টি। তিনি কর্মীদের প্রতি নির্দেশ দিয়ে বলেন, সময় খুব কম তাই জাতীয় পার্টির নেতৃত্বে সম্ভাব্য জাতীয় ঐক্যজোটের মাধ্যমে ক্ষমতায় যেতে এখন থেকে প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে। তিনি গত ২৮ মার্চ বেলা ১টায় চট্টগ্রাম শাহ্ আমানত বিমান বন্দরে উপস্থিত নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে উপরোক্ত কথা বলেন। সাবেক এই রাষ্ট্রপতি ১ দিনের ব্যক্তিগত সফরে চট্টগ্রাম আগমনে চট্টগ্রাম মহানগর-উত্তর ও দক্ষিণ জেলা জাতীয় পার্টির যৌথ উদ্যোগে শাহ্ আমানত বিমান বন্দরে আয়োজিত অনানুষ্ঠানিক এক সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়। এতে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য জিয়াউদ্দীন আহমেদ বাবলু এম.পি, মহানগর জাতীয় পার্টির সভাপতি মাহজাবীন মোরশেদ এম.পি, কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান মোরশেদ মুরাদ ইব্রাহীম, সাবেক এম.পি ও কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা আলহাজ্ব সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান সাবেক এম.পি নজরুল ইসলাম, দক্ষিণ জেলা সভাপতি সাবেক মেয়র সামশুল আলম মাস্টার, নগর জাপা সিনিয়র সহ-সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা তপন চক্রবর্ত্তী, সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব এয়াকুব হোসেন, উত্তর জেলা সাধারণ সম্পাদক শফিক উল আলম চৌধুরী, সহ-সভাপতি লায়ন মহিন উদ্দিন চৌধুরী, মুক্তিযোদ্ধা আহমদ হোসেন, দক্ষিণ জেলার সহ-সভাপতি আমান উল্লাহ আমান, চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম, নগর সহ-সভাপতি আনিসুল ইসলাম চৌধুরী, ওসমান খান, কামরুজ্জামান পল্টু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন জ্যাকী, সাংগঠনিক সম্পাদক জহুরুল ইসলাম রেজা, রেজাউল করিম রেজা, নগর যুবসংহতির সভাপতি এস.এম. সাইফুল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক নুরুল বশর সুজন, নগর শ্রমিক পার্টির সভাপতি জসিম উদ্দিন, নগর সাংস্কৃতিক পার্টির সদস্য সচিব শাহাদাত হোসেন স্বপন, যুগ্ম আহ্বায়ক হাজী আলী আকবর, নগর স্বেচ্ছাসেবক পার্টির সদস্য সচিব এমদাদ হোসেন চৌধুরী, নগর ছাত্রসমাজ সভাপতি রাশেদুল হক খোকন, সাধারণ সম্পাদক সাকিবুল হাসান জিসান, সাংগঠনিক সম্পাদক মনজুরুল আলম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অমিত চক্রবর্ত্তী শান্তসহ নেতৃবৃন্দ। পরে শতাধিক মোটর শোভাযাত্রাসহ সাবেক রাষ্ট্রপতিকে বিমান বন্দর থেকে তারকা হোটেল দি প্যানিনসূলায় নিয়ে যাওয়া হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

পড়ে দেখুন

অধিক শস্য ফলনের জন্য বিদ্যুৎ ব্যবহারে সবাইকে সাশ্রয়ী হবার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

॥ ডেস্ক রিপোর্ট ॥ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হবার পাশাপাশি সকলকে সঞ্চয় করার …