শিরোনাম
প্রচ্ছদ / বান্দরবান / পাচারের সময় পাথর ভর্তি তিনটি ট্রাকসহ দুই চালককে আটক করেছে সেনাবাহিনী

পাচারের সময় পাথর ভর্তি তিনটি ট্রাকসহ দুই চালককে আটক করেছে সেনাবাহিনী

পাচারের সময় পাথর ভর্তি তিনটি ট্রাকসহ দুই চালককে আটক করেছে সেনাবাহিনী

লামা প্রতিনিধি ॥ কিছুতেই ঠেকানো যাচ্ছে না বান্দরবানের লামা উপজেলা থেকে অবৈধভাবে পাথর উত্তোলন ও পাচার। আইনের চোখ ফাঁকি দিয়ে কৌশল অবলম্বন করে উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে পাথর নিয়ে যাচ্ছে বহিরাগত একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট। সর্বশেষ মঙ্গলবার গভীর রাতে উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের দুর্গম পাহাড়ি বনফুর এলাকা থেকে পাচারের সময় পাথর ভর্তি তিনটি ট্রাকসহ দুই চালককে আটক করেছে সেনাবাহিনী।আটক গাড়ি চালকরা হলো- কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের বাসিন্দা দেলোয়ার হোসেনের ছেলে মো. বেলাল (৩৩) ও ডুলহাজারা ইউনিয়নের বাসিন্দা মৃত মমতাজ আহমদের ছেলে মামুনুর রশিদ (৩৬)।অবৈধ পাথরগুলো কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার ব্যবসায়ী মহি উদ্দিন, নাছির, নাছিমুল হক ও দত্তবাবুর এবং গাড়িগুলো মো. ফরিদ উদ্দিনের বলে গাড়ি চালকরা জানিয়েছে।
সূত্র জানায়, বনপুর এলাকা থেকে রাতের বেলায় অবৈধভাবে পাথর পাচার হচ্ছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে স্থানীয় ইয়াংছা আর্মি ক্যাম্প ইনচার্জের নেতৃত্বে মঙ্গলবার রাত ১২টার দিকে অভিযোন চালানো হয়। এ সময় বনপুর ডবল ব্রিজ এলাকা থেকে ৩টি ট্রাক ভর্তি পাথরসহ দুই চালকে আটক করলেও অভিযানের টের পেয়ে আরও তিনটি পাথর ভর্তি ট্রাক পালিয়ে যায়।
বুধবার বেলা আড়াইটার দিকে আটক পাথর, ট্রাক ও ট্রাক চালকদের উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করলে আদালতের বিচারক খিন ওয়ান নু অবৈধ পাথর বহনের দায়ে দুই চালকে ৬ হাজার ও গাড়ি মালিক নাছিমুল হককে ৩ হাজার টাকা অর্থ দণ্ডের আদেশ দেন। পরে আটক ১০০০ ঘনফুট পাথর পূর্বের মালিক মহি উদ্দিন ৫৫ হাজার টাকায় নিলামে ডাক নেয়।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা অভিযোগ করে বলেন, চকরিয়া উপজেলার একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন ধরে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত পাহাড় ও ঝিরি খুঁড়ে পাথর উত্তোলন করে বিভিন্ন স্থানে পাচার করছে। পাথর উত্তোলনের কারণে শুধু পরিবেশের ক্ষতি হচ্ছে না, ইউনিয়নের রাস্তাগুলো লন্ডভন্ড হয়ে গেছে। বর্তমানে সড়কগুলোতে যাত্রীবাহী গাড়ি দূরে থাক পাঁয়ে হাঁটাও কষ্ট সাধ্য হয়ে পড়েছে।
তারা আরও জানায়, বিভিন্ন সময় পাচারের সময় পাথরসহ ট্রাক চালক ও মালিকদের আটক করে জরিমানা করা হলেও পাচার নিয়ন্ত্রণ হচ্ছে না। বরং তারা নিলামকৃত এক হাজার ঘনফুট পাথরের কাগজ ব্যবহার করে পরবর্তীতে কৌশলে আরও ২০ হাজার ঘনফুট পাথর নিয়ে যায়।
পাথর ভর্তি তিনটি ট্রাকসহ দুই চালক ও গাড়ি মালিককে অর্থদণ্ডের সত্যতা নিশ্চিত করে লামা উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খিন ওয়ান নু বলেন, উপজেলা থেকে অবৈধভাবে পাথর উত্তোলন ও পাচারের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

পড়ে দেখুন

“চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিবেশ রক্ষা” পরিষদের নিয়মিত মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

“চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিবেশ রক্ষা” পরিষদের নিয়মিত মাসিক সভায় সম্মানিত সভাপতি আলহাজ¦ আবুল কালাম আজাদ এর …