শিরোনাম
প্রচ্ছদ / তৃণমূল / সিলেটে বিস্ফোরণে পুলিশ কর্মকর্তাসহ নিহত ৪

সিলেটে বিস্ফোরণে পুলিশ কর্মকর্তাসহ নিহত ৪

শনিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে ওই জঙ্গি আস্তানার এক কিলোমিটারের মধ্যে পাঠানপাড়ায় বিস্ফোরণে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে।

সিলেট মহানগর পুলিশের কমিশনার গোলাম কিবরিয়া সাংবাদিকদের বলেন, বিস্ফোরণে এক পুলিশ কর্মকর্তাসহ চারজন নিহত হয়েছেন।

নিহতদের মধ্যে তিনজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হলেন- পুলিশের পরিদর্শক চৌধুরী মো. কয়সার, কলেজছাত্র অহিদুল ইসলাম অপু ও নগরীর দাঁড়িয়াপাড়ার বাসিন্দা শহীদুল ইসলাম (৩৮)। নিহত অপরজনের বয়স আনুমানিক ৩৫ বছর।

কীভাবে এই বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে সে বিষয়ে কিছু বলেননি এসএমপি কমিশনার। তিনি বলছেন, জঙ্গি আস্তানায় অভিযানের জেরেই এটা ঘটানো হয়েছে বলে ধারণা করছেন তারা।

এসএমপির অতিরিক্ত কমিশনার রুকনুদ্দিন জানান, বিস্ফোরণে ঘটনাস্থলেই অপুর মৃত্যু হয়। সিলেটের মদনমোহন কলেজের বিবিএ তৃতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলেন তিনি।

আহতদের সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরিদর্শক কয়সারসহ তিনজন মারা যান। কয়সার সিলেট আদালত পুলিশের পরিদর্শক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

আহতদের মধ্যে র‌্যাবের ইন্টেলিজেন্স শাখার পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আবুল কালাম আজাদ ও  র‌্যাব ৯ এর মেজর আজাদ, সিলেট মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ওসি মনিরুল ইসলাম ও দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি হারুনুর রশিদ রয়েছেন। এদের মধ্যে দুই র‌্যাব কর্মকর্তা ও ডিবির ওসি মনিরুলের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।

বিস্ফোরণে আহত আরও ১৭ জন ওসমানী মেডিকেলে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তারা হলেন- মোস্তাক আহমেদ, নাজিমউদ্দিন, রোমেল আহমেদ, অহিদুল ইসলাম, ইসলাম আহমেদ, নুরুল আলম, বিপ্লব হোসেন, আব্দুর রহিম, সত্তারউদ্দিন, রাহিম মিয়া, হোসেন আহমেদ, মামুন আহমেদ, ফারুক মিয়া, সালাউদ্দিন শিপার, গুলজার আহমেদ, রিমন আহমেদ ও আজমল আলী।

বৃহস্পতিবার গভীর রাতে শিববাড়িতে ওই জঙ্গি আস্তানার সন্ধান পাওয়ার পর তা ঘিরে ফেলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এরপর প্রায় ৩০ ঘণ্টা সেখানে পাহারা বসিয়ে শনিবার সকালে অভিযান শুরু করে সেনাবাহিনী।বাড়িটিতে জিম্মি দশায় থাকা ৭৮ জনকে উদ্ধার করা হলেও অভিযান এখনও চলছে।

শিববাড়ির মূল সড়ক থেকে ওই জঙ্গি আস্তানার দিকে যে রাস্তাটি গেছে, তার কাছেই এই বিস্ফোরণ ঘটে বলে জানান তিনি।

ঘটনার বিবরণ পাওয়া গেছে ওই বিস্ফোরণে আহত গুলজার আহমেদের কাছে।

“লুঙ্গি পরা এক লোক হাতে একটি কালো পলিথিন নিয়ে আসে। কয়েকজন তাকে আটকে পলিথিনে কী আছে জানতে চাইলে সে বলে, ‘লাল শাক’। এর পরপরই একটি বিস্ফোরণ ঘটে। এতে পাঁচ থেকে ছয়জন আহত হন।

“এরপর পুলিশ ও র‌্যাব এলে আরেকটি বোমার বিস্ফোরণ ঘটে। এতে ২৫ জনের মতো মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।”

বিস্ফোরণস্থলে ক্ষতিগ্রস্ত একটি মটরসাইকেল পড়ে থাকতে দেখার কথা জানান মঞ্জুর আহমদে।

 

পড়ে দেখুন

অধিক শস্য ফলনের জন্য বিদ্যুৎ ব্যবহারে সবাইকে সাশ্রয়ী হবার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

॥ ডেস্ক রিপোর্ট ॥ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হবার পাশাপাশি সকলকে সঞ্চয় করার …