শিরোনাম
প্রচ্ছদ / গণমাধ্যম / পাশে আছি: মহিউদ্দিন চৌধুরীর পরিবারকে হাসিনা

পাশে আছি: মহিউদ্দিন চৌধুরীর পরিবারকে হাসিনা

আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা রোববার বিকালে চট্টগ্রাম নগরীর চশমা হিলে চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির সভাপতি, তিন বারের মেয়র মহিউদ্দিনের বাড়িতে গিয়ে তার পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানান।

সকালে চট্টগ্রাম পৌঁছে নৌবাহিনীর বার্ষিক কুচকাওয়াজ শেষে মহিউদ্দিনের বাড়িতে যান তিনি।  প্রধানমন্ত্রী মহিউদ্দিনের স্ত্রী হাসিনা মহিউদ্দিন, বড় ছেলে মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, ছোট ছেলে বোরহানুল হাসান চৌধুরী সালেহীনসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সাথে কথা বলেন এবং সমবেদনা জানান।

শেখ হাসিনা বাড়ির সামনে গাড়ি থেকে নামার পর নওফেল ও সালেহীন কদমবুসি করে তাকে ঘরে নিয়ে যান।

প্রধানমন্ত্রী শোবার ঘরে নওফেলদের সঙ্গে কথা বলার পর বৈঠকখানায় মহিউদ্দিনের কুলখানিতে পদদলনে নিহতদের পরিবারের স্বজনদের প্রত্যেককে পাঁচ লাখ টাকা করে নগদ অর্থ সহায়তা দেন। বাড়িতে থাকা আওয়ামী লীগ নেতারা জানান, বৈঠকখানার দেয়ালে টানানো মহিউদ্দিন চৌধুরীর বিভিন্ন লড়াই-সংগ্রাম এবং তার সঙ্গে নিজের ছবি দেখে স্মৃতিকাতর এবং আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী।

বর্ষীয়ান আওয়ামী লীগ নেতা মহিউদ্দিন চৌধুরী গত ১৫ ডিসেম্বর মারা যান। আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সামনের কাতারের এই নেতাকে ‘মহিউদ্দিন ভাই’ ডাকতেন শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী আধঘণ্টারও বেশি সময় সেখানে থেকে সন্ধ্যায় ঢাকায় ফিরে যান।

প্রধানমন্ত্রী বেরিয়ে যাওয়ার পর মহিউদ্দিনের স্ত্রী হাসিনা মহিউদ্দিন  বলেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রী আমাদের পরিবারের পাশে অতীতেও ছিলেন, ভবিষ্যতেও থাকার আশ্বাস দিয়েছেন। বলেছেন, তিনি আমাদের পাশে সবসময় আছেন। উনি আমাদের একমাত্র অভিভাবক।”

শেখ হাসিনা বাসায় এসে মহিউদ্দিন চৌধুরীর সঙ্গে তার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের নানা স্মৃতির কথা বলেন বলে জানান তিনি।

“শেখ হাসিনা সর্বশেষ ১৯৮৬ সালে আমাদের বাসায় এসেছিলেন। সেসময়ের স্মৃতিচারণও করেন।”

মহিউদ্দিনপুত্র আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক নওফেল বলেন, ‘‘তিনি আমাদের সাথে একান্ত পারিবারিক আবহে কিছু সময় কাটিয়েছেন। এছাড়া মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আব্বার আন্দোলন-সংগ্রামমুখর জীবনের স্মৃতিচারণ করেন।

“পারিবারিক বিষয়ের বাইরে চট্টগ্রামের আওয়ামী লীগের রাজনীতির ইতিহাস এবং সংগ্রামের বিষয়ও উঠে আসে। আব্বার আপসহীন রাজনীতি এবং সাহসের কথাও তিনি বলেছেন।”

নওফেল বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আগেও আমাদের অভিভাবক ছিলেন, এখনও আছেন।”

মহিউদ্দিন চৌধুরীর বাসভবনে আওয়ামী লীগ নেতাদের মধ্যে গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, রাউজানের সংসদ সদস্য এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরী, রাঙ্গুনিয়ার সংসদ সদস্য হাছান মাহমুদ, সিডিএ চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া উপস্থিত ছিলেন মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা সুনীল সরকার, এম এ রশিদ, চন্দন ধর, মশিউর রহমান, শফিক আদনান, জহর লাল হাজারী।

পড়ে দেখুন

অধিক শস্য ফলনের জন্য বিদ্যুৎ ব্যবহারে সবাইকে সাশ্রয়ী হবার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

॥ ডেস্ক রিপোর্ট ॥ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হবার পাশাপাশি সকলকে সঞ্চয় করার …