শিরোনাম
প্রচ্ছদ / গণমাধ্যম / রাঙ্গামাটি জেনারেল হাসপাতাল ভবনে ফাটলের এক বছরেও সংষ্কারের উদ্যোগ নেই

রাঙ্গামাটি জেনারেল হাসপাতাল ভবনে ফাটলের এক বছরেও সংষ্কারের উদ্যোগ নেই

॥ মিল্টন বাহাদুর ॥ রাঙ্গামাটি জেনারেল হাসপাতাল ভবনে ফাটল দেখা দেয়ার এক বছর পরও ভবন সংষ্কারের কোন উদযোগ নেই। কতৃপক্ষ হাসপাতাল ভবনের অর্ধেক অংশ পরিত্যক্ত ঘোষনা করায় ভেঙ্গে পড়ে চিকিৎসা কার্যক্রম। রোগীরা পোহাচ্ছে চরম দুর্ভোগে। এতে করে চিকিৎসা কার্যক্রম চালাতে হিমশীম খাচ্ছেন চিকিৎসকরা।  রাঙ্গামাটি জেনারেল হাসপাতাল ভবন ঝুঁকিপূর্ণ হওয়া সত্বেও ২০১৬ সালে রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের উদ্যোগে অপরিকল্পিতভাবে তৃতীয় তলায় ভবন নির্মান কাজ শুরু করা হয়। এ বছরের ২৫ জানুয়ারী হাসপাতালের তৃতীয় তলায় অপরিকল্পিতভাবে ভবন নির্মানের ফলে অতিরিক্ত চাপে ভারসাম্য হারিয়ে ফাটলের সৃষ্টি হয়।
খশে পড়ে ভবনের প্ল্যাস্টার। বাধ্য হয়ে কর্তৃপক্ষ হাসপাতালের অর্ধেক অংশ পরিত্যাক্ত ঘোষণা করে। বন্ধ করে দেয়া হয় মহিলা ও শিশু ওয়ার্ড। কিন্তু দীর্ঘ এক বছরেও হাসতালটির ভবন সংস্কারে পদক্ষেপ নেয়নি কর্তৃপক্ষ।
এ ব্যাপারে রাঙ্গামাটি জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার, ডা. শওকত আকবর বলেন, হাসাপতালের অবস্থা এখন এতই নাজুক যে এক স্থানে গাদগাদি করে চিকিৎসা সেবা দিচ্ছে হচ্ছে পুরুষ, নারী ও শিশু রোগীদের। আবার স্থান না হওয়ায় অনেক রোগীর বেডও জোটেনা। মেজেতে চিকিৎসা নিচ্ছেন অনেকে। দূর্গম পাহাড়ী এলাকা থেকে আসা দরিদ্র রোগীরা চিকিৎসা নিতে দুর্ভোগে মধ্যে পড়ছে।
রাঙ্গামাটি সিভিল সার্জন ডাঃ শহীদ তালুকদার বলেন, জেনারেল হাসপাতালের সংকট নিরসনে তারা প্রচেষ্ঠা চালিয়ে যাচ্ছেন। এই সংকট নিরসনে জন্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানকে অবহিত করা হয়েছে। যেহেতু শিশু মহিলাদের ছোট দুইটি রুমে রাখা হয়েছে তাতে তাদের অনেক সমস্যা হচ্ছে তাই আলাদাভাবে অস্থায়ী কোন ওয়ার্ড করা যায় কিনা এ ব্যাপারে তারা হস্তক্ষেপ নিচ্ছেন। এতে করে সমস্যা নিরসন হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
রাঙ্গামাটি গণপূর্ত বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী জহির রায়হান জানান, রাঙ্গামাটি জেলারেল হাসপাতালের তৃতীয় তলার নির্মান কাজে জেলা পরিষদের তদারকি না থাকায় ভবনে ফাটল দেখা দিয়েছে। আর আমাদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল জেলারেল হাসপাতালের তৃতীয় তলার নির্মান করা যাবেনা। কারণ হাসপাতাল ভবনটি অনেক পুরোনো। তবুও আমাদের কথা না মেনে তারা হাসপাতালের তৃতীয় তলা নির্মান করায় আজকে এই অবস্থার সৃষ্টি।
রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বৃষ কেতু চাকমা বলেন, পার্বত্য আইন অনুযায়ী স্বাস্থ্য বিভাগের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রন রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের কাছে ন্যাস্ত। তাই রাঙ্গামাটি হাসপাতালের সংকট নিরসনে বুয়েটের সহায়তা চাওয়া হয়েছে। খুব দ্রুত বুয়েট থেকে দক্ষ লোক আসলে পরীক্ষা নিরিক্ষা করে এ ব্যাপারে কি করা যায় তাদের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
এদিকে রাঙ্গামাটি জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে হাসপাতাল ভবন সংস্কারে সরকারের পদক্ষেপ নেয়া জরুরী বলে মনে করছেন এলাকাবাসী।

পড়ে দেখুন

অধিক শস্য ফলনের জন্য বিদ্যুৎ ব্যবহারে সবাইকে সাশ্রয়ী হবার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

॥ ডেস্ক রিপোর্ট ॥ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হবার পাশাপাশি সকলকে সঞ্চয় করার …