শিরোনাম
প্রচ্ছদ / চট্টগ্রাম / তারেক রহমান নিজের ইচ্ছায় দেশে ফিরে আসবেন–ডা. শাহাদাত হোসেন

তারেক রহমান নিজের ইচ্ছায় দেশে ফিরে আসবেন–ডা. শাহাদাত হোসেন

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, তারেক রহমান বাংলাদেশের বৈধ নাগরিক। তিনি যুক্তরাজ্যে রজনৈতিক আশ্রয়ে আছেন। পাসপোর্ট জমা দেয়া মানে নাগরিকত্ব বর্জন করা নয়। কোন ছল চাতুরী করে সরকার তারেক রহমানের দেশে আসা বন্ধ করতে পারবে না। তারেক রহমান নিজের ইচ্ছায় বীরের বেশে দেশে ফিরে আসবেন। তিনি আজ ২৫ এপ্রিল সকাল ১১ টায় নগরীর কাজীর দেউরীস্থ নূর আহমদ সড়কে বেগম জিয়ার মুক্তির দাবীতে কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির উদ্যোগে এক মানবন্ধনে সভাপতির বক্তব্যে এ কথা বলেন। এতে তিনি আরো বলেন, সংবিধানের ১২৬ অনুচ্ছেদে স্পষ্টভাবে লিখা আছে সকল নির্বাহী বিভাগের কর্মকর্তাগণ নির্বাচন কমিশনের অধীনে থাকবে। সেই মোতাবেক নির্বাচন কমিশন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়কে নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের নির্দেশ দিতে পারে। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট ডাকাতি ও ব্যালেট ছিনতাই থেকে রক্ষা পেতে এবং অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য এদেশের জনগণ সেনা মোতায়েন চায়। ডা. শাহাদাত হোসেন আরো বলেন, ওবায়দুল কাদের আগামী জাতীয় নির্বাচনকে তামাশার নির্বাচনে পরিণত করার জন্য ভারতের শরাণাপন্ন হয়েছিলেন। কিন্তু ভারত সরকার তাদের কথায় সায় দেয়নি। ভারত সরকার তাদেরকে স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছেন গণতান্ত্রিকভাবে সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে যে সরকার ক্ষমতায় আসবে, তারা সেই সরকারকে সমর্থন দেবে। তাই ওবায়দুল কাদের ব্যর্থ হয়ে দেশে এসে বলছে, ভারত নাকি নির্বাচন নিয়ে কোন কথা বলবে না। এতে বুঝা যায় ভারত সরকারের আস্থা এখন তাদের উপর আর নেই।
ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, বিএনপির চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম জিয়া দীর্ঘদিন ধরে পায়ে ও হাটুর ব্যথায় ভুগছেন। ঔষুধ সেবনের পাশাপাশি পায়ের ব্যথার জন্য উন্নত থেরাপির জন্য বিশেষায়িত হাসপাতালে ভর্তি করা অত্যন্ত জরুরী। যদি বেগম খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসার অভাবে স্বাস্থ্যগত অবনতি হয় তাহলে এই সরকারের শেষ রক্ষা হবে না।
মানববন্ধনে সংহতি প্রকাশ করে কেন্দ্রীয় বিএনপির শ্রমবিষয়ক সম্পাদক এ এম নাজিম উদ্দিন বলেছেন, গণতন্ত্রের রক্ষার মা আজ কারাগারে বন্দি। মানুষের কথা বলার অধিকার, ভোটাধিকার আজ ভুলুণ্ঠিত। বেগম জিয়াকে এভাবে বন্দি করে রাখার উদ্দেশ্য গণতন্ত্রকে চূড়ান্তভাবে কবর দিয়ে দেয়া। তিনি বলেন, এক টাকাও দুর্নীতি না করে বেগম খালেদা জিয়াকে যদি জেলে যেতে হয়, তবে হাজার হাজার কোটি টাকার দূর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত শেখ হাসিনা ও অন্যান্যদের কি শাস্তি হওয়া উচিত ভবিষ্যতে দেশের জনগণের আদালতেই নির্ধারিত হবে। বহুদলীয় গণতন্ত্র, আইনের শাসন, বৈষম্য ও বঞ্চনাহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষে দেশবাসীকে সরকারের একদলীয় শাসনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁডাতে হবে।
মানববন্ধনে সংহতি প্রকাশ করে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি আবু সুফিয়ান বলেছেন, জিয়া অরফনাজ ট্রাস্টের যে মামলায় বেগম জিয়াকে জেলে নেয়া হয়েছে, অথচ এই ট্রাস্ট গঠন ও পরিচালনার সঙ্গে বেগম জিয়া প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত ছিল না। তিনি এই ট্রাস্টের চেয়ারম্যান কিংবা স্বাক্ষরকারী ছিলেন না। অর্থাৎ আত্মসাৎ তো দূরের কথা বেগম জিয়া বা তার পরিবারের কোন সদস্য উক্ত একাউন্ট থেকে এক টাকাও উত্তোলন করেনি। তিনি বলেন, দেশের তিন তিনবারের প্রধানমন্ত্রী দেশমাতা বেগম খালেদা জিয়াকে মিথ্যা অভিযোগে কারাগারে আটকে রেখেছে। কিন্তু সকল ষড়যন্ত্রের বেড়াজাল ছিন্ন করে এদেশের জনগণ অচিরেই বেগম জিয়াকে মুক্ত করে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনবে। দেশের জনগণের মালিকানা জনগণকে ফিরিয়ে দেবে।
এ সময় মানববন্ধনে সংহতি প্রকাশ করে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন চাকসু ভিপি নাজিম উদ্দিন, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি মো. মিয়া ভোলা,,ছৈয়দ আহমদ, মাহবুবুল আলম, অধ্যাপক নুরুল আলম রাজু, উপদেষ্টা জাহিদুল করিম কচি, নবাব খান, যুগ্মসম্পাদক এস এম সাইফুল আলম, কাজী বেলাল উদ্দিন, আর ইউ চৌধুরী শাহীন, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, আবদুল মন্নান, আনোয়ার হোসেন লিপু, সামশুল হক, গাজী মো. সিরাজউল্লাহ, সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক শিহাব উদ্দিন মবিন, শেখ নুরুল্লাহ বাহার, সহসাধারণ সম্পাদক খোরশেদ আলম, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. এস এম সরোয়ার আলম, থানার সভাপতি মনজুর রহমান চৌধুরী, মামুনুল ইসলাম হুমায়ুন, মো. সেকান্দর, সহসম্পাদক মো. ইদ্রিস আলী, মো. শাহাজাহান, ইসমাঈল বাবুল, আলী আজম, নগর শ্রমিক দল সভাপতি তাহের আহমদ, নগর মহিলা দলের সাধারণ সম্পদিকা জেলী চৌধুরী, যুগ্ম সম্পাদক কাউন্সিলর জেসমিনা খানম, থানার সম্পাদক হাজী বাদশা মিয়া, নূর হোসেন, হাবিবুর রহমান, নগর বিএনপির সদস্য আইয়ুব খান, জাকির হোসেন, শাহনেওয়াজ চৌধুরী মিনু, ওয়ার্ড সভাপতি আকতার খান, এস এম মফিজ উল্লাহ, মো. আসলাম, সাধারণ সম্পাদক এম এ হালিম বাবলু, হাবিবুর রহমান চৌধুরী, এস এম আবুল কালাম আবু, হাসান ওসমান, সিরাজুল ইসলাম মুনসি, মনজুর মিয়া, মো. হাসান, ছাত্রদল নেতা জিয়াউর রহমান জিয়া, শেখ রাসেল, জমির উদ্দিন নাহিদ, জিসাস সভাপতি আবুল হাসেম আজাদ, চালকদল নেতা জাহাঙ্গির আলম, মো. মুন্না, মহসিন তালুকদার, সোহেল চৌধুরী প্রমুখ।

পড়ে দেখুন

“চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিবেশ রক্ষা” পরিষদের নিয়মিত মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

“চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিবেশ রক্ষা” পরিষদের নিয়মিত মাসিক সভায় সম্মানিত সভাপতি আলহাজ¦ আবুল কালাম আজাদ এর …