শিরোনাম
প্রচ্ছদ / গণমাধ্যম / খালেদার রায় ২৯ অক্টোবর

খালেদার রায় ২৯ অক্টোবর

মামলার শেষ পর্যায়ের কার্যক্রম চলছে ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারের ভেতরে বসানো জজ আদালতের অস্থায়ী এজলাসে

কারাগারেই আরেকটি ভবনে গত ফেব্রুয়ারি থেকে বন্দি রয়েছেন জিয়া এতিমখানা ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় পাঁচ বছরের সাজাপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া

সাড়ে আট মাসের মাথায় তার দ্বিতীয় দুর্নীতি মামলার রায় হতে যাচ্ছে, যেখানে দোষী প্রমাণিত হলে তার সর্বোচ্চ সাত বছরের সাজা হতে পারে বলে মামলার বাদী দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কৌঁসুলি মোশাররফ হোসেন কাজল জানিয়েছেন।

কয়েকটি ধার্য তারিখে আসামিপক্ষ যুক্তিতর্ক উপস্থাপন না করায় বিচারের অংশটি বাদ দিয়েই রায়ের তারিখ নির্ধারণের জন্য আদালতে আবেদন করেছিল রাষ্ট্রপক্ষ

বিচারক মঙ্গলবার তার আদেশে বলেন, “আসামিপক্ষ নানা কারণ দেখিয়ে যুতক্ততর্ক উপস্থাপন করেন নাই, কালক্ষেপণ করেছেন। সেজন্য প্রসিকিউশন যে আবেদন করেছে সে আবেদন মঞ্জুর করা হল। আগামী ২৯ অক্টোবর মামলা রায়ের জন্য থাকবে। খালেদা জিয়া সেদিন পর্যন্ত জামিনে থাকবেন।

মামলায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের সুযোগ না থাকলেও ন্যায়বিচারের স্বার্থে আসামিপক্ষকে সে সুযোগ দেওেয়া হয়েছিল বলে আদেশে উল্লেখ করেন বিচারক

খালেদা জিয়ার অন্যতম আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া আদেশের পর সাংবাদিকদের বলেন, “বেআইনিভাবে আদেশ দেওয়া হয়েছে। আমরা বিষয়ে উচ্চ আদালতে যাব।

আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর ২০১০ সালের অগাস্ট দুর্নীতি দমন কমিশনের সহকারী পরিচালক হারুনুর রশিদ সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াসহ চার জনের বিরুদ্ধে জিয়া দাতব্য ট্রাস্ট দুর্নীতি                মামলা দায়ের করেন

তেজগাঁও থানার মামলায় ক্ষমতার অপব্যবহার করে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা আত্মসাত করার অভিযোগ আনা হয় আসামিদের বিরুদ্ধে

তদন্ত কর্মকর্তা হারুন অর রশিদ ২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি খালেদা জিয়াসহ চার জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেন। পরের বছরের ১৯ মার্চ অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে আসামিদের বিচার শুরু হয়

রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে ২০১৭ সালের গত ডিসেম্বর আদালতে উপস্থিত হয়ে নিজের বক্তব্য উপস্থাপন শুরু করেন খালেদা। সেখানে নিজেকেসম্পূর্ণ নির্দোষদাবি করে তিনি আদালতের কাছে সুবিচার চান

তার আবেদনে কয়েক দফা মামলার বিচারক বদলে দেয় হাই কোর্ট। খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা নানাভাবে সময়ক্ষেপণ করে বিচার বিলম্বিত করছেন বলে অভিযোগ করেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা।

খালেদা জিয়ার সঙ্গে তার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরীও মামলার আসামি। পলাতক হারিছ চৌধুরীকে ২১ অগাস্ট মামলার রায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।

হারিছের তখনকার সহকারী একান্ত সচিব বিআইডব্লিউটিএর নৌ নিরাপত্তা ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান মামলায় কারাগারে রয়েছেন

পড়ে দেখুন

“চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিবেশ রক্ষা” পরিষদের নিয়মিত মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

“চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিবেশ রক্ষা” পরিষদের নিয়মিত মাসিক সভায় সম্মানিত সভাপতি আলহাজ¦ আবুল কালাম আজাদ এর …