শিরোনাম
প্রচ্ছদ / গণমাধ্যম / অনেক দেরীতে হলেও শুরু হচ্ছে এটাই রাঙ্গামাটিবাসীর বড় পাওয়া,ধন্যবাদ রিজিয়ন কমান্ডার ও জেলা প্রশাসক

অনেক দেরীতে হলেও শুরু হচ্ছে এটাই রাঙ্গামাটিবাসীর বড় পাওয়া,ধন্যবাদ রিজিয়ন কমান্ডার ও জেলা প্রশাসক

॥ আলহাজ্ব এ,কে,এম মকছুদ আহমেদ ॥ রাঙ্গামাটি ক্যান্টঃ পাবলিক স্কুল এ্যান্ড কলেজ অনেক দেরীতে হলেও শুরু হচ্ছে এটা রাঙ্গামাটি জেলাবাসীর জন্য অনেক বড় পাওয়া। এ জন্য রাঙ্গামাটি রিজিয়ন কমান্ডার ও জেলা প্রশাসককে জানাচ্ছি পার্বত্য রাঙ্গামাটি জেলাবাসীর পক্ষ থেকে অভিনন্দন ও ধন্যবাদ।
রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলায় সদর দপ্তর ছিলো। অর্থ্যাৎ পুরাতন জেলা সদর রাঙ্গামাটি। সে হিসাবে সব দিক দিয়ে পুরাতন জেলা হিসাবে উন্নয়নের শীর্ষে থাকার কথা থাকলেও কিন্তু পিছিয়ে আছে। কিন্তু ক্যান্টঃ পাবলিক স্কুল এ্যান্ড কলেজ স্থাপনের ব্যাপারে সব চেয়ে পিছনে পড়ে আছে রাঙ্গামাটি জেলা।
খাগড়াছড়ি সর্বশেষ জেলা স্থাপিত হলেও সর্বপ্রথম খাগড়াছড়িতে ক্যান্টঃ পাবলিক স্কুল এ্যান্ড কলেজ প্রতিষ্ঠা হয়ে উন্নতির চরম শিখরে পৌছেছে। বান্দরবান ২য় হিসাবে অনেক উন্নতি হয়েছে। এমনকি রাঙ্গামাটি ছাত্র-ছাত্রীরা বান্দরবান ও খাগড়াছড়িতে ভর্তি হয়ে লেখাপড়া করছে।
স্থান সংকুলান সহ বিভিন্ন সমস্যার কারণে রাঙ্গামাটিতে প্রতিষ্ঠা করা যায়নি ক্যান্টঃ পাবলিক স্কুল এ্যান্ড কলেজ। বর্তমান রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ রিয়াজ মেহমুদ ও জেলা প্রশাসক এ,কে,এম মামুনুর রশীদ এর যৌথ প্রচেষ্টায় তা আলোর মুখ দেখছে। গত ১০ ই ফেব্রুয়ারী ২০১৯ রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে রাঙ্গামাটি ক্যান্টঃ পাবলিক স্কুল এ্যান্ড কলেজের জন্য স্থান নির্ধারণ সম্পন্ন করে রিজিয়ন কমন্ডারের নিকট জায়গার কাগজ রেজিষ্ট্রি করে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়েছে।
জমি হস্তান্তর অনুষ্ঠানে রিজিয়ন কমান্ডার তাঁর প্রতিক্রিয়ায় বলেছেন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠিত হলে পার্বত্য এলাকায় শিক্ষার মান বৃদ্ধি পাবে। প্রতিষ্ঠার কাজ দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন রিজিয়ন কমান্ডার।
জেলা প্রশাসক বলেছেন সরকারের পাশাপাশি পার্বত্য অঞ্চলের শিক্ষা নিয়ে কাজ করছে সেনাবাহিনী। তিনি তার স্বল্পকালীন দায়িত্ব পালন কালে রাঙ্গামাটি ক্যান্টঃ পাবলিক স্কুল এ্যান্ড কলেজের জন্য জায়গা হস্তান্তর করতে পেরে গর্বিত বোধ করছেন।
ক্যান্টঃ পাবরিক স্কুল কলেজটির নির্মাণ কাজ দ্রুত শুরু হলে এ অঞ্চলে শিক্ষার মান অনেক বেড়ে যাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তবে স্থানীয়রা যাতে অগ্রাধিকার পায় এবং গরীব ও মেধাবীদের বিনা বেতনে লেখাপড়ার করার সুযোগ দেয়া হয় তাহলে এই এলাকার মানুষ উপকৃত হবে।

পড়ে দেখুন

“চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিবেশ রক্ষা” পরিষদের নিয়মিত মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

“চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিবেশ রক্ষা” পরিষদের নিয়মিত মাসিক সভায় সম্মানিত সভাপতি আলহাজ¦ আবুল কালাম আজাদ এর …