শিরোনাম
প্রচ্ছদ / গণমাধ্যম / চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে এলজিএসপি-৩ প্রকল্পের প্রশিক্ষণ কর্মশালা : প্রকল্প বাস্তবায়নে দুর্নীতির আশ্রয় নিলে জেলে যেতে হবে ঃ বিভাগীয় কমিশনার

চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে এলজিএসপি-৩ প্রকল্পের প্রশিক্ষণ কর্মশালা : প্রকল্প বাস্তবায়নে দুর্নীতির আশ্রয় নিলে জেলে যেতে হবে ঃ বিভাগীয় কমিশনার

চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুল মান্নান বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় এসে স্থানীয় সরকার বিভাগকে শক্তিশালী ও কার্যকর করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। মানুষের কাঙ্খিত সেবা ও সুশাসন নিশ্চিতসহ গ্রামীন পর্যায়ে উন্নয়ন কর্মকান্ড আরো দৃশ্যমান করতে সরকার ইউনিয়ন পরিষদ গুলোর জন্য সময়োপযোগী বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহন করেছেন। প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন করতে হলে প্রত্যেক চেয়ারম্যান-মেম্বারকে সততা, দক্ষতা ও আন্তরিকতার সাথে কাজ করতে হবে। প্রকল্প বাস্তবায়নে কোন ধরনের অনিয়ম-দুর্নীতির আশ্রয় নিলে বাঁচতে পারবেননা, জেলে যেতে হবে। যে প্রকল্পের আওতায় অর্থ বরাদ্ধ আসে সে প্রকল্পের কাজগুলো জনপ্রতিনিধিদেরকে নিজের বিবেক ও পদ-পদবীর ইমেজ দিয়ে করতে হবে। আজ ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ইং বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত লোকাল গর্ভন্যান্স সার্পোট প্রজেক্ট-৩ (এলজিএসপি-৩) প্রকল্প কর্মকান্ড বাস্তবায়ন পদ্ধতি শীর্ষক দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্টানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের ব্যবস্থাপনায় স্থানীয় সরকার বিভাগের এলজিএসপি-৩ কর্মশালার আয়োজন করেন।
তিনি বলেন, এলজিএসপি-৩ একটি বড় প্রকল্প। আগামী ২০২১ সাল পর্যন্ত এ প্রকল্প চলমান থাকবে। অতীতের প্রকল্পগুলো যতটা স্বচ্চতার সাথে বাস্তবায়ন হয়নি,এখনকার প্রকল্পগুলো অনেকটা স্বচ্চতার সাথে সম্পন্ন হচ্ছে। দেশে অনেক ভালোর দিকে যাচ্ছে, অনেক ভালো কাজ হচ্ছে, অতীতে হতোনা। সরকারের টাকা অপচয় করা যাবেনা। গ্রামীন জনপদের ব্রীজ, কালভার্ট, ছোট ছোট রাস্তা ও অন্যান্য উন্নয়ন কাজগুলো স্বচ্ছভাবে করতে হবে। বর্তমান সরকারের নিরলস প্রচেষ্টায় দেশ এখন উন্নয়নের মহাসড়কে। বেড়েছে জিডিপি, মাথাপিছু আয়, গড় আয়ু ও শিক্ষার হার প্রত্যেকটি উন্নয়ন সুচকে সারা বিশ্বে বাংলাদেশ এখন মডেল। তাই মাটি ও মানুষের সাথে বেঈমানী না করে সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ডে সবাই এগিয়ে আসলে অচিরেই বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ বিনির্মান সম্ভব হবে।
চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেনের সভাপতিত্বে ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট নুর জাহান আক্তার সাথীর সঞ্চালনায় অনুষ্টিত কর্মশালায় বিশেষ অতিথি ছিলেন বিভাগীয় পরিচালক (স্থানীয় সরকার) দীপক চক্রবর্তী। স্বাগত বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের উপ-পরিচালক (স্থানীয় সরকার) ইয়াছমিন পারভীন তিবরীজি। দিনব্যাপী অনুষ্টিত কর্মশালায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোমেনা আক্তার (বাঁশখালী), তৌছিফ আহমদ (লোহাগাড়া), হাবিবুল হাসান (পটিয়া)সহ এ তিন উপজেলার ৪০ টি ইউনিয়নের ৪০ জন ইউ.পি চেয়ারম্যান ও ৪০ জন ইউ.পি সচিব অংশ নেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিভাগীয় পরিচালক (স্থানীয় সরকার) দীপক চক্রবর্তী বলেন, স্থানীয় সরকার বিভাগের কার্যক্রম আরোদৃশ্যমান করতে সরকারী কর্মচারী ও জনপ্রতিনিধিদেরকে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে।
সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন বলেন, এলাকার হোল্ডিং ট্যাক্সসহ অন্যান্য ট্যাক্স, ইজারার টাকা নিয়মিত আদায় ও অতিথি নিয়ন্ত্রন আইন বাস্তবায়ন করতে পারলে ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম আরো সক্রিয় হবে। শিক্ষার শতভাগ মানোন্নয়নে এলাকার প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো নিয়মিত পরিদর্শন করতে চেয়ারম্যানদের সির্দেশ দেন তিনি।
স্বাগত বক্তব্যে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের উপ-পরিচালক (স্থানীয় সরকার) ইয়াছমিন পারভীন তিবরীজি বলেন, নারীর ক্ষমতায়নে সরকার যথেষ্ট আন্তরিক। স্থানীয় সরকার বিভাগসহ সরকারের বিভিন্নস্তরে নারীদের সম্পৃক্ত করার কারনে তারা আজ সমাজের বোঝা নয়। নারী-পুরুষ উভয়ে মিলে দেশের উন্নয়নে কাজ করলে ২০২১ সালে মধ্যম আয়ের দেশ, ২০৩০ সালে এসডিজি অর্জন ও ২০৪১ সালে উন্নত বাংলাদেশ গড়া সম্ভব হবে।

পড়ে দেখুন

“চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিবেশ রক্ষা” পরিষদের নিয়মিত মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

“চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিবেশ রক্ষা” পরিষদের নিয়মিত মাসিক সভায় সম্মানিত সভাপতি আলহাজ¦ আবুল কালাম আজাদ এর …