শিরোনাম
প্রচ্ছদ / গণমাধ্যম / প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষন করেছেন রাঙ্গামাটি পৌর মেয়র আকবর হোসেন চৌধুরী পার্বত্য চট্টগ্রামের চারণ সাংবাদিক এ,কে,এম মকছুদ আহমেদকে একুশে পদক দেয়ার দাবী-4

প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষন করেছেন রাঙ্গামাটি পৌর মেয়র আকবর হোসেন চৌধুরী পার্বত্য চট্টগ্রামের চারণ সাংবাদিক এ,কে,এম মকছুদ আহমেদকে একুশে পদক দেয়ার দাবী-4

নিজস্ব প্রতিবেদক,রাঙ্গামাটি :
————————–
পার্বত্য চট্টগ্রামের চারণ সাংবাদিক, রাঙ্গামাটি প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি, দৈনিক গিরিদর্পন ও সাপ্তাহিক বনভূমির সম্পাদক এ,কে,এম মকছুদ আহমেদকে একুশে পদক দেয়ার দাবী জানিয়েছেন রাঙ্গামাটি পৌরসভার মেয়র মোঃ আকবর হোসেন চৌধুরীসহ বিভিন্ন সূধীজন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন সাংবাদিক,রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সামাজিক নেতৃবৃন্দসহ অনেকেই প্রবীণ সাংবাদিক একেএম মকছুদ আহমেদকে একুশে পদকে ভূষিত করার দাবী জানান।
বিষয়টি নিয়ে রাঙ্গামাটি পৌরসভা মেয়র মোঃ আকবর হোসেন চৌধুরীর কাছে মতামত জানতে চাইলে তিনি বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের চারণ সাংবাদিক একেএম মকছুদ আহমদকে একুশে পদক দেয়ার দাবী জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগ যে আলোচনা বা দাবী উঠেছে তা আমি অবগত হয়েছি, এ দাবীর প্রতি আমি ও একমত পোষণ করছি। কারন এই মানুষটি তার লেখনির মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের সমস্যা, সম্ভাবনা, পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে পাহাড়ের মানুষের কথা দেশ বিদেশের পত্র পত্রিকায় তুলে ধরেছেন। পৌরসভা মেয়র বলেন, আমরা চেয়েছিলাম পাহাড়ে এই গুণী মানুষটিকে নাগরিক সংবর্ধনা দেব, কিন্তু করোনা পরিস্থিতির কারনে সে বিষয়ে আর উদ্যোগ নেয়া সম্ভব হয়নি, তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আমরা তাকে পৌরবাসীর পক্ষ থেকে নাগরিক সংবর্ধনা দিতে পারব বলে আশা করছি। তিনি সাংবাদিক একেএম মকছুদ আহমদের মত মানুষকে একুশে পদক প্রদানের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তিনি বলেন, আমি বিশ^াস করি পাহাড়ের এই গুণী মানুষটির কথা বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে তুলে ধরতে পারলে অবশ্যই একেএম মকছুদ আহমেদকে সরকার মূল্যায়ন করবে। তিনি সাংবাদিক একেএম মকছুদ আহমেদের সফলতা কামনা করেন। উল্লেখ্য, পিছিয়ে থাকা পার্বত্য জনপদে সুদীর্ঘ সময় ধরে একটি সাপ্তাহিক ও একটি দৈনিক পত্রিকার প্রকাশনা অব্যাহত রেখেছেন সাংবাদিক একেএম মকছুদ আহমদ। একই সঙ্গে পিছিয়ে থাকা এলাকা ও এলাকার জনগোষ্ঠীর আর্থসামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন পাহাড়ের এই বাতিঘর এ,কে,এম মকছুদ আহমেদ। পিছিয়ে পড়া জনগনের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে লেখনীর মাধ্যমে ভূমিকা রাখায় এবং পার্বত্য অঞ্চলের সংবাদপত্র জগতের অবদানের জন্য রাখতে একুশে পদকের মাধ্যমে তাকে সম্মানিত করলে পাহাড়ের মানুষের পাশাপাশি দেশের মানুষও আনন্দিত হবে ও অনেকে মতামত ব্যক্ত করেছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পাহাড়ের এই মানুষটিকে একুশে পদক প্রদানের মাধ্যমে সম্মানিত করার জন্য সরকারের প্রতি দাবী জানিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামের চারণ সাংবাদিক একেএম মকছুদ আহমদকে একুশে পদক প্রদানের বিষয়ে অনেকেই সমহত প্রকাশ করেছেন। তাদের সামান্য কয়েকজনের মতামত তুলে ধরা হলো। চট্টগ্রামের এই প্রতিতযশা সাংবাদিক মোস্তফা নঈম তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পাহাড়ের এই বরপত্র এ,কে,এম মকছুদ আহমেদের সম্পর্কে লিখেন পার্বত্য সাংবাদিকতা বাতিঘর মকছুদ আহমদকে একুশে পদক প্রদান করা হোক —— তিনি বলেন, সরকারের প্রতি একটি আহ্বান, পার্বত্য চট্টগ্রামের সাংবাদিকতার বাতিঘর, সাপ্তাহিক বনভূমি ও দৈনিক গিরিদর্পণ পত্রিকার সম্পাদক মকছুদ আহমদকে একুশে পদক প্রদান করুন। মকছুদ আহমদ একটি পিছিয়ে থাকা জনপদে সুদীর্ঘ সময় ধরে একটি সাপ্তাহিক ও একটি দৈনিক পত্রিকার প্রকাশনা অব্যাহত রেখেছেন। একই সঙ্গে পিছিয়ে থাকা এলাকা ও এলাকার জনগোষ্ঠীর আর্থসামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন এখনো করছেন। সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রতি আহ্বান জানাই পার্বত্য সাংবাদিকতার প্রতিকৃত মকছুদ আহমদকে একুশে পদক প্রদান করে প্রান্তিক এলাকার সম্পাদককে মূল্যায়ণ করলে পুরো পার্বত্য এলাকার সাংবাদিক সমাজকে সম্মানিত করা হবে। রাঙ্গামাটি সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি সাংবাদিক নন্দন দেবনাথ বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে প্রবীণ সাংবাদিক একেএম মকছুদ আহমদের হাত ধরে অনেক নবীন তরুন সাংবাদিক উঠে এসেছে। আমরা বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী মেখ হাসিনার প্রতি দাবী জানাচ্ছি পাহাড়ে সাংবাদিক তৈরীর কারিগর প্রবীন সাংবাদিক একেএম মকছুদ আহমদকে একুশে পদকে ভূষিত করা হোক। পাহাড়ের সর্বপ্রথম অনলাইন নিউজ সিএইচটিনিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকমের সম্পাদক ও রাঙ্গামাটির প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি এস,এম শামসুল আলম পাহাড়ের এই প্রবীন সাংবাদিক দৈনিক গিরিদর্পণ সম্পাদক আলহাজ¦ এ,কে,এম মকছুদ আহমেদের পক্ষে লিখে একুশে পদক প্রাপ্তির বিষয়ে সহমত প্রকাশ করে সরকারের কাছে দাবী জানিয়েছেন। এদিকে রাঙ্গামাটির কাউখালী উপজেলার এক শিক্ষক মোহাম্মদ সাইদুল হক তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কালের কন্ঠের সাংবাদিক মোস্তফা নঈম এর লেখনীতে সমর্থন করে তিনি লিখেন— এ.কে.এম মকছুদ আহমদ স্যার পার্বত্য চট্টগ্রামের ইতিহাসে সাহসী সাংবাদিকতার পথিকৃৎ। উনাকে একুশে পদক দেয়া হোক।ইউনুস মিয়া নামে একজন তার লেখনীতে একুশে পদকের প্রাপ্তির বিষয়ে সহমত জানিয়ে বলেন, আমার সাথে মকছুুদ ভাই ও সাংবাদিক সুনীল দে’র সাথে পরিচয় সেই ১৯৮১ সালে। তাঁরা পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটির আদর্শিক মানুষ। দুজনেই “কলম যোদ্ধা” হিসাবে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। মকছুদ ভাইকে একুশে পদক দেয়ার আহবানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে দাবী উঠেছে তা অত্যন্ত যুক্তিসংগত এবং সময়োপযোগী আমি এই দাবীর সাথে একাত্মতা প্রকাশ করছি। সাংবাদিক নির্মল বড়ুয়া মিলন মন্তব্য করেন পার্বত্য চট্টগ্রামের সাংবাদিকতা বাতিঘর একেএম মকছুদ আহমদকে একুশে পদক প্রদান করা হলে পার্বত্য চট্টগ্রামের গুণী ব্যক্তিকেই মূল্যায়ন করা হবে।বান্দরবান পার্বত্য জেলার তরুন উদীয়মান সাংবাদিক খগেশপতি চন্দ্র খোকন পাহাড়ের এই সংসপ্তক দৈনিক গিরিদর্পণ সম্পাদক আলহাজ¦ এ,কে,এম মকছুদ আহমেদের পক্ষে লিখে একুশে পদক প্রদানের জন্য সহমত প্রকাশ করেন।চট্টগ্রামের একজন প্রবীন সাংবাদিক জাহিদুল করিম কচি দৈনিক গিরিদর্পণ সম্পাদক আলহাজ¦ এ,কে,এম মকছুদ আহমেদের পক্ষে লিখে একুশে পদক প্রদানের জন্য সহমত প্রকাশ করেছেন।রাঙ্গামাটির একজন প্রবীন ব্যক্তিত্ব বোরহান উদ্দিন তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বলেন, চারন সাংবাদিক আলহাজ্ব মাকছুদ ভাইকে জাতীয় পয্যায়ে তার অবদানকে মুল্যায়ন করা উচিত।এভাবে আরো অনেকে পার্বত্য সাংবাদিকতার বাতিঘর মকছুদ আহমদকে একুশে পদক দেয়ার জন্য সহমত প্রকাশ করেছেন।পার্বত্য চট্টগ্রামের চারণ সাংবাদিক একেএম মকছুদ আহমেদ ১৯৭৮ সালে পার্বত্য চট্টগ্রামে প্রথম সাপ্তাহিক বনভূমি ও পরে দৈনিক গিরিদর্পণ পত্রিকা প্রকাশ করেন। তিনি পার্বত্য অঞ্চলের লেখকদের জন্য রাঙ্গামাটি প্রকাশনী নামে একটি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন।পার্বত্য শান্তি প্রক্রিয়ায় অবদানের জন্য দক্ষিন এশিয়া সাহিত্য সংস্কৃতি পরিষদ, ঢাকা কর্তৃক মাদার তেরেসা শান্তি পদক ও ভারতের উত্তর বঙ্গের নাট্য জগৎ পত্রিকার পক্ষ থেকে সাংবাদিকতায় অবদানের জন্য পার্বত্য অঞ্চলের প্রথম সাপ্তাহিক পত্রিকা বনভূমি ও দৈনিক গিরিদর্পণ পত্রিকার সম্পাদক একেএম মকছুদ আহমেদকে সম্মাননা প্রদান করা হয়। এছাড়া সাংবাদিকতসহ সামাজিক বিভিন্ন কর্মকান্ডে অবদানের জন্য সাংবাদিক একেএম মকছুদ আহমদকে রাঙ্গামাটি জেলা আওয়ামীলীগ এবং চট্টগ্রামের বহুল প্রচারিত দৈনিক পত্রিকা সাঙ্গুর পক্ষ থেকে সম্মাননা প্রদান করা হয়। এছাড়া ও এই প্রবীণ সাংবাদিককে তিন পার্বত্য জেলা, চট্টগ্রামের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানসহ ঢাকা থেকে ও সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ছাড়া ও পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গরাও প্রবীণ সাংবাদিক একেএম মকছুদ আহমদকে একুশে পদক প্রদান করতে সরকারের প্রতি আহবান জানিয়েছেন।

পড়ে দেখুন

“চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিবেশ রক্ষা” পরিষদের নিয়মিত মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

“চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিবেশ রক্ষা” পরিষদের নিয়মিত মাসিক সভায় সম্মানিত সভাপতি আলহাজ¦ আবুল কালাম আজাদ এর …