শিরোনাম
প্রচ্ছদ / ব্রেকিং নিউজ / পাহাড়ে জুমের ধানে কৃষক হাসি

পাহাড়ে জুমের ধানে কৃষক হাসি

কাজী মোশাররফ হোসেন, কাপ্তাই ॥ রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলায় পাহাড়ে পাহড়ে এবছর জুম ধানের উৎপাদন খুব ভালো হয়েছে। পাহাড়ে, পাহাড়ের ঢালে, পাহাড়ী সমতল এলাকায় সর্বত্র জুম ধানের সোনালী ফসল শোভা পাচ্ছে। পাকা ধানের জুম ফসল দেখে কৃষকের মুখে হাসির ঝিলিক দেখা যাচ্ছে। সরেজমিন পরিদর্শনে রাঙ্গামাটি জেলার প্রায় প্রতিটি উপজেলা জুড়ে জুমের ব্যাপক ফলন দেখা গেছে। কাপ্তাই, বিলাইছড়ি, রাজস্থলী, জুরাছড়ি, লংগদু, নানিয়ারচর উপজেলাসহ সব উপজেলায়ই জুমের বাম্পার ফলনের একই চিত্র পরিলক্ষিত হয়েছে।
কাপ্তাই উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ শামসুল আলম চৌধুরী জানান, গত ২/৩ বছর জুম ফলন ভালো হচ্ছে। তবে এ বছর ফলন আরো ভালো হয়েছে। অতি বৃষ্টি, অনাবৃষ্টি, খরা ইত্যাদি সমস্যা না থাকায় ফলন ভালো হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। রাঙ্গামাটি সদর উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাসরিন আক্তার জানান, জেলার সর্বত্র জুম ফসল ভালো হলেও মগবান ইউনিয়নে ফলন সব চেয়ে ভালো হয়েছে।
স্থানীয় কৃষক আলো চাকমা, কুসুম চাকমা ও জতির্ময় তনচংগ্যা জানান, জুম ফলন ভালো হওয়ায় সকল কৃষক পরিবারে খুশির ঢেউ লেগেছে। পাকা ধান কাটার জন্য কৃষক কিষাণী সবাই দল বেঁধে মাঠে যান এবং জমি থেকে ফসল কেটে ঝুড়ি ভরে হাসি মুখে বাড়ি ফেরেন। পারিবারিক প্রয়োজনীয় ধান রেখে বাকি জুমের ফসল বিক্রি করে সাংসারিক যাবতীয় খরচ মেটানো যাবে বলেও অনেক কৃষক মন্তব্য করেন। রাজস্থলী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জানান, জুম ফসল ভালো হওয়ায় সবাই খুশি। তবে বর্তমানে হঠাৎ করে অসময়ে বৃষ্টি বেড়ে গেছে। প্রায় প্রতিদিন ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে। অসময়ের বৃষ্টির কারণে পাহাড় থেকে জমির ফসল কেটে বাড়ি পর্যন্ত আনা এবং ধান সংগ্রহ করা কষ্টকর হচ্ছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

পড়ে দেখুন

“চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিবেশ রক্ষা” পরিষদের নিয়মিত মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

“চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিবেশ রক্ষা” পরিষদের নিয়মিত মাসিক সভায় সম্মানিত সভাপতি আলহাজ¦ আবুল কালাম আজাদ এর …